Saturday, 28 September 2013

প্রযোজক সলমনের নতুন হিরো

প্রযোজক সলমনের নতুন হিরো
অভিনেতা থেকে প্রযোজক পরিচালক হয়ে উঠতে ব্যস্ত প্রায় সব্বাই। তাহলে সেই তালিকা থেকে সাল্লু মিয়াঁ বাদ পড়বেন কী করে? আমির খান, অজয় দেবগণ, সঞ্জয় দত্তের পর সম্প্রতি সলমন খান প্রযোজনা করতে চলেছেন একটা বলিউডি ছবি৷এমনি সেমনি ছবি নয় আশির দশকের জনপ্রিয় ছবি হিরোর রিমেক৷ছবির নাম তু মেরা হিরো৷
সলমনের এই হিরো ছবির রিমেকে মূল চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যাবে আদিত্য পঞ্চালি'র ছেলে সুরজ পাঞ্চালি এবং সুনীল শেঠি'র মেয়ে আথিয়াকে। ছবিটি  পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক নিখিল আডবানি। সব কিছু ঠিকঠাক চললে ২০১৪ সালের প্রথম দিকেই ফ্লোরে আসতে চলেছে ছবিটি।
১৯৮৩ সালে হিরো ছবিটি পরিচালনা করেছিলেন পরিচালক সুভাষ ঘাই। নায়ক নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন জ্যাকি শ্রফ ও মীনাক্ষী শেষাদ্রি।
খবরটি শুনে সুভাষ ঘাই জানিয়েছেন, হিরো ছবিটির রিমেক হতে চলেছে বলে তিনি খুব খুশি। সলমন খান এবং নতুন হিরোর গোটা টিমকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বলিউডের শো-ম্যান৷

জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা বলিউড 'রকস্টার'

জন্মদিনে অনেক শুভেচ্ছা বলিউড 'রকস্টার'
৩১ বছরে পা দিলেন বলিউড সুপারস্টার রণবীর কাপুর। শনিবার নিজের বার্থডে সেলিব্রেট করছেন বলিউড হার্টথ্রব রণবীর।
২০০৭ সালে সঞ্জয়লীলা বনশালি পরিচালিত 'সাওয়ারিয়া' ছবিতে প্রথম নায়কের ভূমিকায় দেখা যায় তাঁকে। তারপর থেকেই বেশ কিছু ভাল ছবি করে বলিউড ইন্ডাস্ট্রিতে সাফল্য অর্জন করেন রণবীর। এই ছয় বছরে 'মাম্মিস বয়' নিজেকে 'লাভার বয়' হিসেবে পরিচিত করে ফেলেছেন বলিউডে।
২০০৭ সালে নায়ক হিসেবে বলিউডে পা রাখলেও ২০০৮ সালে যশ রাজ ফিল্ম প্রযোজিত 'বাচনা এ হাসিনো' ছবিতে প্রথম সাফল্য পায় রণবীর। যেখানে তাঁকে দেখা যায় তিনজন নায়িকার সঙ্গে রোমান্স করতে।
তারপরে ২০০৯ সালে তাঁর তিনটি ছবি মুক্তি পায়। 'ওয়েক আপ সিড', 'অজব প্রেম কি গজব কাহানী', 'রকেট সিং : সেলসম্যান অব দ্য ইয়ার'। সেই বছরই তিনটি ছবিতে ভাল কাজের জন্য বেস্ট অ্যাক্টর হিসেবে ফিল্ম ফেয়ার অ্যাওয়ার্ড পান তিনি।
তারপর 'রাজনীতি', 'রকস্টার', 'বরফি', 'ইয়ে জওয়ানি হ্যাঁয় দিওয়ানি'র মত ভাল ছবি দিয়ে দর্শকদের মনে ও বলিউডে নিজের জায়গা করে নিয়েছেন রণবীর। 'ইয়ে জওয়ানি হ্যাঁয় দিওয়ানি' ছবিটি বক্স-অফিসে দারুণ সাফল্য পায়। পাশাপাশি রণবীর-দীপিকা জুটির কেমিস্ট্রিও।
চলতি বছরের ২ অক্টোবর মুক্তি পাবে তাঁর নতুন ছবি 'বেশরম'।
সময়টা বেশ ভালই যাচ্ছে রণবীর কাপুরের। কয়েকটি ছবিও ইতিমধ্যে নিজের পকেটে পুরেছেন তিনি। ২০১৪ সালে মুক্তি পাবে তাঁর দু'টি ছবি। ভিকি সিংয়ের রোমান্টিক থ্রিলার 'রয়' এবং অনুরাগ কাশ্যপের 'বোম্বে ভেলভেট', যেখানে অনুষ্কা শর্মার বিপরীতে দেখা যাবে তাঁকে। জন্মদিনের সঙ্গে পরবর্তী বছরের জন্যও শুভেচ্ছা রণবীরকে।

দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ম করায় কুণাল ঘোষকে বহিস্কার করল তৃণমূল


ফাইল ছবি ফাইল ছবি
দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করার অভিযোগে কুণাল ঘোষকে দল থেকে তাড়াল তৃনমূল কংগ্রেস। শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে অনির্দিষ্টকালের জন্য রাজ্যসভার সাংসদ কুণাল ঘোষকে সাসপেন্ড করল তৃনমূল।  শনিবার তৃণমূল ভবনে সাংবাদিক বৈঠকে দলের সিদ্ধান্তের কথা জানালেন তৃণমূলের মহাসচিব তথা শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়। এদিন বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পিছনের কারণ ব্যাখ্যা করে পার্থ চট্টোপাধ্যায় বলেন,শৃঙ্খলার ঊর্ধ্বে কেউ নন।কয়েকদিন ধরে  সাংসদ সাংবাদিক কুণাল ঘোষ যেভাবে দলবিরোধি মন্তব্য করে চলেছেন তার জেরেই দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি সর্বসম্মতভাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে৷  এদিন তিনি জানান, কলকাতার এক অনুষ্ঠানে দলের তিনজন সাংসদ দলবিরোধী মন্তব্য করেন৷ এরপরই দলের পক্ষ থেকে তিন সাংসদকে শোকজ করা হয়৷
সম্প্রতি কলকাতার ৪৮ নম্বর ওয়ার্ডের একটি রক্তদান শিবিরে উপস্থিত হয়ে  দলের তিনজন সাংসদ তাপস পাল, শতাব্দ রায়, এবং কুণাল ঘোষ বিরুদ্ধে তাদের ক্ষোভ উগরে দেন৷ স্পষ্ট জানান, যারা তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি করেছে তাদের কোনও সম্মান নেই৷ পাশাপাশি সেই দিনের অনুষ্ঠানে সারদা কাণ্ড নিয়ে প্রকাশ্যে দলের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন কুণাল ঘোষ৷ এরপর থেকেই দলবিরোধী কথা বলার জন্য দলের পক্ষ থেকে তিনজনকেই শোকজ করা হয়৷ তবে দলবিরোধি মন্তব্য করার অভিযোগে অভিযুক্ত আরও দুই সাংসদ তাপস পাল ও শতাব্দী রায় এই ঘটনার জন্য দলের কাছে ক্ষমা চেয়েছেন৷ তারা জানিয়েছেন, সেদিনের  ঘটনার জন্য তারা অনুতপ্ত, তাই এখনই এঁদের সাসপেন্ড করার কথা ভাবছে না দল বলে জানালেন তৃণমূলের মহাসচিব।

এদিন পার্থ চট্টোপাধ্যায় জানান, অনুষ্ঠানেই সারদা কাণ্ড প্রসঙ্গে দলবিরোধী মন্তব্য করেন কুণাল ঘোষ। এরপর দলের তরফ থেকে গত ২০ তারিখে ওই তিন সাংসদকে শোকজের চিঠি দেওয়া হয়েছিল৷ তারপরও বিভিন্ন জায়গায়  কুণাল ঘোষ ক্রমাগত দলবিরোধী কথা বলায় ২৭ সেপ্টেম্বর দলের শৃঙ্খলারক্ষা কমিটির তিন সদস্য পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সুব্রত বক্সী ও মুকুল রায় একটি বৈঠকে কুণাল ঘোষকে সাসপেন্ড করার সিদ্ধান্ত নেন। এদিন দলের পক্ষ থেকে পার্থ চট্টোপাধ্যায় স্পষ্ট বার্তা দেন যারা দলের বিরুদ্ধাচরণ করবে অথবা দলের ভাবমূর্তি নষ্ট হয় এমন কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকবে তাদের ওপর দল সবসময় নজর রাখবে৷  

যদিও শোকজের চিঠি পাওয়ার কথা আগেই অস্বীকার করেছেন কুণাল ঘোষ। এদিনও তিনি ফের বলেন, শোকজের চিঠি পেলে তিনি দলের সঙ্গে কথা বলতেন। এক্ষেত্রে তিনি দলের সঙ্গে কথা বলার কোনও সুযোগ পাননি৷ তবে তিনি শীঘ্রই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন৷ এমনকি তিনি এবিষয়ে পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের কাছে শোকজের চিঠি চাইবে বলেও জানান তিনি৷
দলবিরোধী মন্তব্য করায় বহিষ্কার হলেন কুণাল ঘোষ৷ তবে ক্ষমা প্রার্থনা করে আপাতত দল থেকে রক্ষা পেলেন তাপস, শতাব্দী বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল৷